পর্তুগালে বৈধ হওয়ার উপায়

How to get legal in Portugal: আপনারা অনেকেই পর্তুগালে বৈধ হওয়ার উপায় গুলো সম্পর্কে জানতে চান। তো বর্তমান সময়ে পর্তুগালে সহজ পদ্ধতিতে বৈধ হওয়ার উপায় হলো বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।

কেননা, যখন আপনি পর্তুগালের কোনো বৈধ নাগরিক কে বিয়ে করবেন। তখন আপনি খুব সহজ উপায়ে পর্তুগালে বৈধ হতে পারবেন।

তবে এগুলো ছাড়াও আরো অনেক পর্তুগালে বৈধ হওয়ার উপায় আছে। যা আজকের আর্টিকেলের মধ্যে স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করা হবে। তাই আর দেরী না করে চলুন সরাসরি মূল আলোচনায় ফিরে যাওয়া যাক।

পর্তুগালে বৈধ হওয়ার উপায় গুলো কি কি?

বর্তমান সময়ে একজন ব্যক্তি বিভিন্ন উপায়ে পর্তুগালে বৈধ হতে পারবে। আর সেই উপায় গুলোর তালিকা নিচে শেয়ার করা হলো। যেমন,

  1. কাজের ভিসার মাধ্যমে আপনি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পর্তুগালে বৈধ হয়ে থাকতে পারবেন।
  2. আপনার পরিবারের কোনো সদস্য যদি পর্তুগালে থাকে। তাহলে ফ্যামিলি ভিসার মাধ্যমে বৈধ হিসেবে থাকতে পারবেন।
  3. আপনি যদি উচ্চ শিক্ষার জন্য পর্তুগাল যেতে পারেন। তাহলে আপনি আপনার কোর্স সম্পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত সেই দেশে বৈধ হিসেবে থাকতে পারবেন।
  4. এছাড়াও আপনি যদি পর্তুাগলের কোনো নাগরিকের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারেন। তাহলে আপনি সেই দেশের স্থায়ী ভাবে নাগরিক হতে পারবেন।

একজন ব্যক্তি আসলে কি কি উপায়ে পর্তুগালে বৈধ হতে পারবে। সেই উপায় গুলো উপরের তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। আর চাইলে আপনিও উপরোক্ত উপায় গুলোর মাধ্যমে পর্তুগালে বৈধ হতে পারবেন।

পর্তুগালের নাগরিকত্ব পেতে কত বছর লাগে?

আপনি যদি বিভিন্ন ভিসার মাধ্যমে পর্তুগাল যেতে পারেন। আর সেখানে যদি আপনি বৈধ ভাবে একটানা ৫ বছর বসবাস করতে পারেন। তাহলে আপনি পর্তুগালের একজন স্থায়ী নাগরিক হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

তবে যখন আপনি দীর্ঘদিন বসবাসের মাধ্যমে পর্তুগালের নাগরিক হওয়ার জন্য আবেদন করবেন। তখন আপনাকে পর্তুগালের নাগরিক হওয়ার সকল নিয়ম গুলো সঠিক ভাবে ফলো করতে হবে। তারপর আপনাকে সেই দেশের নাগরিক হওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে।

পর্তুগালে জন্ম নেওয়া সন্তান কি নাগরিকত্ব পায়?

যদি কোনো পিতা মাতা পর্তুগালের নাগরিকত্ব নিতে পারে। তাহলে পরবর্তী সময়ে যখন সেই পিতা মাতার কোনো সন্তান জন্মগ্রহন করবে। তখন সেই সন্তানটি পর্তুগালে অটোমেটিক ভাবে নাগরিকত্ব নিতে পারবে। এক্ষেত্রে সেই সন্তান কে আর নাগরিকত্বের জন্য আলাদা ভাবে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবেনা।

পর্তুগাল যাওয়ার উপায় গুলো কি কি?

আপনি চাইলে বিভিন্ন উপায়ে আমাদের দেশ থেকে পর্তুগালে যেতে পারবেন। কেননা, বাংলাদেশের সাথে পর্তুগালের বিভিন্ন ধরনের ভিসা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আর সে গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা, ভিজিট ভিসা, ফ্যামিলি ভিসা ইত্যাদি।

তো আপনি যদি বৈধ উপায়ে পর্তুগাল যেতে চান। তাহলে আপনাকে যে কোনো ধরনের ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। আর যখন আপনার হাতে আবেদনকৃত সেই ভিসা গুলো আসবে। তারপর আপনি উক্ত ভিসার মাধ্যমে পর্তুগাল যেতে পারবেন।

বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যেতে কত টাকা লাগে?

যখন আপনি আমাদের বাংলাদেশ থেকে পর্তুগাল যাবেন। তখন আপনার মোট কত টাকা খরচ হবে, সেটি আপনার ভিসার ধরনের উপর নির্ভর করবে। তবে আপনি যদি আমাদের দেশ থেকে বর্তমানে কাজের ভিসায় পর্তুগাল যেতে চান। তাহলে আপনাকে মোট ০৯ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা খরচ করার প্রয়োজন পড়বে।

পরিশেষে আপনার জন্য লেখকের কিছু মন্তব্য

যখন আপনি নিজের দেশ থেকে অন্য কোনো দেশে যাবেন। তখন অবশ্যই আপনি বৈধ ভিসার মাধ্যমে সেই দেশে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। তাহলে আপনি সম্পূর্ণ বৈধ ভাবে সেই দেশে অবস্থান করতে পারবেন। আর কিভাবে আপনি পর্তুগালে বৈধ হতে পারবেন। আজকে আমি আপনাকে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করেছি।

তো এরপরও যদি আপনি আরো পর্তুগালে বৈধ হওয়ার উপায় সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে নিচে কমেন্ট করবেন। আর এতক্ষন ধরে আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন, ‍সুস্থ থাকুন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:

এই ওয়েবসাইটটি কোনও অফিসিয়াল ভিসা বা ভ্রমণ সংস্থা নয় এবং এই সাইটের সমস্ত তথ্য অনলাইন, নিউজ পোর্টাল, ব্লগ ও উইকিপিডিয়া থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। তাই কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *